নাগেশ্বরীতে ভিজিএফ'র চাল বিতরণে অনিয়ম

নাগেশ্বরীতে ভিজিএফ'র চাল বিতরণে অনিয়ম ছবি সংগৃহিত

নাগেশ্বরীর বল্লভেরখাস ইউনিয়নে ভিজিএফ'র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জনপ্রতি ১০ কেজির চালের পরিবর্তে ৫ জনকে ৫০ কেজি চালের বস্তা বিতরণ করা হচ্ছে। চেয়ারম্যান আকমল হোসেন চাল ব্যবসায়ীর কাছে বিভিন্ন কৌশলে অবাধে চাল বিক্রি করার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল সমূহ কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের আওতায় বল্লভেরখাস ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের দুঃস্থ্য ও বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ৬৬.৭১মেট্রিক টন চাল ৬হাজার ৭১পরিবারের প্রতিজনের মাঝে ১০কেজি চালের পরিবর্তে ৫জনকে ৫০কেজি চালের বস্তা গত শুক্রবার থেকে বিতরণ শুরু করেন।

সরেজমিনে ২৭ জুলাই (রবিবার) দুপুরে গেলে স্থানীয় অসহায় ভুক্তভোগী রহিমা বেগম, ফরিদা বেগম, নাজিমুদ্দিন, হাবিবুর রহমান, চাঁদনি বেওয়াসহ অনেকে জানান, বল্লভেরখাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন কালো চাল ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম, আজিজুল হক, আব্দুল খালেক, বাবলু ও মিজানুর রহমানের নিকট প্রায় ৬ থেকে ৭ শত স্লিপের জন প্রতি দশ কেজি চালের স্লিপ বিক্রি করে মাদারগঞ্জ ক্লিনিক মাঠের অস্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিভিন্ন কৌশলে তাদের চাল দেয়ার অভিযোগ করেন। তারা আরো বলেন, আমরা দশ দিন থেকে পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি।

অনুসন্ধানে, কালো চাল ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম, আজিজুল হক, আব্দুল খালেক, বাবলু ও মিজানুর রহমানের মাদারগঞ্জ বাজারের গুদাম ঘরে সরকারি ভিজিএফ'র চাল মজুদ রয়েছে এবং অবাধে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বল্লভেরখাস ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাগ কর্মকর্তা ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম বলেন, অনিয়ম হচ্ছে না। পরে ফোন কেটে দেন।

বল্লভেরখাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর আহমেদ মাসুম জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন :