পেঁয়াজ আমদানিতে এলসি ন্যূনতম রাখার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

পেঁয়াজ আমদানিতে এলসি ন্যূনতম রাখার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেঁয়াজ আমদানিতে এলসি ন্যূনতম রাখার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ব্যাংকগুলোকে পেঁয়াজ আমদানির এলসির (ঋণপত্র) মার্জিন ন্যূনতম রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে  বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এ সার্কুলারে বলা হয়েছে, পেঁয়াজসহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সুদের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য ৩০ মে পর্যন্ত যে নির্দেশনা ছিল এর সময়সীমা বর্ধিত করা হয়েছে।  এই নির্দেশনা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।সার্কুলারে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিককালে আন্তর্জাতিক বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাজারেও এ নিত্যপণ্যের মূল্যে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য পেঁয়াজ আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হলো।বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ন্যূনতম টাকা জমা রেখে পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খোলার ব্যবস্থা করতে হবে। এর ফলে ব্যাংকগুলো ন্যূনতম টাকা জমা রেখে ঋণপত্র খুলতে পারবে।প্রসঙ্গত, আমদানি ঋণপত্র খোলার সময় ব্যাংকে পণ্যমূল্যের একটি অংশ জমা দিতে হয়, যাকে এলসি মার্জিন বলে। এই মার্জিনের বিষয়টি নির্ধারিত হয় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে। ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হলে ন্যূনতম ১০ মার্জিনেও এলসি খোলা হয়। আবার গ্রাহক যদি ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হন সেক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন নিয়ে এলসি খোলা হয়।

 

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন :