এইটা বাংলাদেশ, কোনো বিচারের আশা আমি করছি না

এইটা বাংলাদেশ, কোনো বিচারের আশা আমি করছি না প্রতীকী ছবি

রাজশাহী উপরশহর আমার বাসা। আমার বাসা দূর বলে আমি সাধারণত রুয়েট থেকে রেইলগেট পর্যন্ত অটোতে করে আসি প্রতিদিন। আজকেও প্রতিদিনের মতো অটো নিলাম, সাথে ছিল একজন ভদ্রলোক ও দুইজন অপরিচিত রুয়েটিয়ান ভাইয়া। চিশতিয়ার সামনে নেমে গেলেন রুয়েটিয়ান ভাই দুইজন।

হঠাৎ অটোওয়ালা অটো থামায় দিলো ভদ্রা পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর, অটোওয়ালা সামনে থাকা ভদ্রলোক কে বললো, 'আপনি নেমে যান, আমি নিজস্ব লোক তুলবো।  আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই জোরপূর্বক ওই ভদ্রলোককে নামিয়ে চারজন গুণ্ডা উঠে বসলো অটোতে।চালানো শুরু হয়ে গেলো অটো। রেলস্টেশন থেকে ভদ্রা পর্যন্ত রাস্তা মোটামুটি নির্জন। ইচ্ছামত আমাকে স্পর্শ করা শুরু করলো সেই চারজন। হাজারবার চিৎকার করার পরও অটোওয়ালা পশুর মতো হাসতে থাকলো। অটো থামালো না।

তার পরে নগরভবনের সামনে পুলিশ দেখে ভয় পেয়ে তারা অটো থেকে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দ্রুত চলে গেলো। যতক্ষণে নিজের পায়ে দাঁড়াতে দাঁড়াতে অটো ততক্ষণে বহুদূর। শুধু শেয়ার করলাম আমার কাহিনীটা। এইটা বাংলাদেশ, কোনো বিচারের আশা আমি করছি না।

আমি কি পোশাক ছিলো অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে?  সাধারণ বাঙালি নারীর মত সালোয়ার কামিজ পরেছিলাম।

লেখাটি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। লিখেছেনঃ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(রুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। যে কিনা মানুষরূপী পশুদের দ্বারা লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন :