ভারতে ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৮৩,৮৮৩ জন আরও ১,০ ৪৩ জনের মৃত্যুর

ভারতে ২৪ ঘণ্টায়  কোভিড-১৯ আক্রান্ত  ৮৩,৮৮৩ জন  আরও  ১,০ ৪৩ জনের মৃত্যুর ভারতে ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৮৩,৮৮৩ জন আরও ১,০ ৪৩ জনের মৃত্যুর

৮৩ হাজার ছাড়িয়ে গেল দেশে দৈনিক নতুন সংক্রমণের সংখ্যা। যার জেরে তৈরি হল রেকর্ড। করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়ানোর পর এখনও অবধি কোনও দেশে এক দিনে এত জন আক্রান্ত হননি। গত ২৪ ঘণ্টায় যা হল ভারতে। অবশ্য গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা কালের মধ্যে সব থেকে বেশি পরীক্ষা হয়েছে দেশে। এই প্রথম এক দিনে ১১ লক্ষেরও বেশি টেস্ট হল দেশে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮৩ হাজার ৮৮৩ জন নতুন করে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ৩৮ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪০৬ জন। ওই সময়ের মধ্যে আমেরিকা ও ব্রাজিলে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৩৯ হাজার ৫৫৩ ও ৪৬ হাজার ৯৩৪ জন। অর্থাৎ আমেরিকা ও ব্রাজিলের তুলনায় ভারতে রোজ বেশি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। এই ধারা গত ১৫-১৬ দিন ধরেই অব্যাহত। আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে প্রথম স্থানে থাকা আমেরিকাতে মোট আক্রান্ত ৬১ লক্ষ ১৩ হাজার ও দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে ৩৯ লক্ষ ৯৭ হাজার।ফি দিন বিশ্বের অন্য দেশের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে থাকছে ভারত। যার জেরে মোট আক্রান্তও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, এ ভাবে বাড়তে থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ব্রাজিলকে পিছনে ফেলে সংক্রমণের নিরিখে বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে চলে আসবে ভারত। আনলক পর্বে দেশে কড়াকড়ি কমেছে অনেকটাই। আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হচ্ছে মেট্রো। মুক্তমঞ্চ, পাবও খুলে যাচ্ছে। এর মধ্যেই দৈনিক সংক্রমণের লাফিয়ে বৃদ্ধি উদ্বেগ তৈরি করছে দেশের করোনা পরিস্থিতিতে।আক্রান্তের সংখ্যা যেমন রোজ বাড়ছে, তেমনই প্রচুর মানুষ সুস্থও হয়ে উঠছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যে যা কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মোট ২৯ লক্ষ ৭০ হাজার ৪৯২ জন করোনার কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন। অর্থাৎ দেশে মোট আক্রান্তের ৭৭ শতাংশ সুস্থ হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৮ হাজার ৫৮৪ জন।প্রতি দিন যে সংখ্যক মানুষের পরীক্ষা হচ্ছে তার মধ্যে যত শতাংশের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসছে সেটাকেই বলা হচ্ছে পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার। গত তিন দিন তা ৭ শতাংশেই বন্দি রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমণ হার ৭.১৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে পরীক্ষা হয়েছে ১১ লক্ষ ৭২ হাজার ১৭৯ জনের। যা করোনাকালের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন :